প্রবেশসীমা ৩২ বনাম ৩৫ নিয়ে কিছু কথা
স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দেশে প্রচলিত আইন-কানুন, নিয়ম-নীতির দ্বারা পরিষ্কার বৈষম্যের স্বীকার হলে যে কেউই তার বৈষম্য দূরীকরণে দাবি করতে পারেন-তা শুধু প্রবেশের বয়সসীমার ক্ষেত্রে নয় যে কোন ক্ষেত্রেই। প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি নিয়ে ২০১২ সাল থেকে ৩৫ এর দাবিতে মাঠ পর্যায়ে আন্দোলন হয়ে আসছে, করোনা কালে বয়সসীমার ক্ষতির বিষয়টি সামনে আসায় "প্রবেশের বয়সসীমা" বিভন্ন মহলে গুরুত্বের সহিত আলোচিত/পর্যালোচিত হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। এমতাবস্থায় দেখা গেছে কিছু ভাই বোন প্রবেশসীমা ৩২ করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। ৩৫ প্রত্যাশীরা এরকম কিছু আশা করবে না/করেনি এটা খুবই স্বাভাবিক। যারা ৩২ দাবি করছেন কিছু কথা বলবো--যা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত।
৩২ যারা চাচ্ছেন
এখন যারা ৩২ এর জন্য কাজ করছেন ভাই ও আপুরা আপনাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন ঝামেলা নাই, ঝামেলা হোক এরকম কোন অভিপ্রায়ও নাই। আপনারা ৩৫ এর গ্রুপে প্রায় সবাই-ই আছেন। আমার কথাগুলো আপনাদের ছোট করা/হেয় করার/তর্কে জড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়--বাস্তবতা বলে একটা কথা আছে সে জায়গা থেকেই বলছি। ৩২ নিয়ে কাজ করা সংগঠকদের কেউ কেউ আছেন যারা ৩৫ এর বিভিন্ন প্রোগ্রাম অংশ নিয়েছেন। প্রবেশসীমা ৩৫ হলে আপনাদের যে কোন আপত্তি নাই এটার যেমন সত্যতা আছে-কারণ আপনি বা আপনারা শুধু আবেদনের সুযোগ চান, আবেদন করতে পেলেই হল। তবে ৩২ প্লাটফর্ম থেকে কোন সংগঠকের যদি আবেদনের সুযোগ ভিন্ন অন্য কোন অভিপ্রায় বা উদ্দেশ্য থাকে সেক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নাই। আপনাদের আবেদনের সুযোগ পাওয়াটাই মুখ্য এটা যদি সত্য হয় তবে বয়সসীমা বৃদ্ধি নিয়ে সবচেয়ে বড় সত্য বিষয়টি হল- বাংলাদেশে বয়সসীমা বৃদ্ধির সার্বিক থিমটি/ ধারণাটি/চিন্তাটি একমাত্র এই ৩৫ প্লাটফর্মই তৈরি করেছে এবং প্রতিষ্ঠিত করেছে সেই ২০১২ সাল থেকে। এমনকি আপনারা এটাতেও দ্বিমত করতে পারবেন না যে করোনা কালে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বয়সসীমার ক্ষতির বিষয়টা সামনে এসেছ তা এত সহজে এসেছে প্রবেশসীমা ৩৫ করার দীর্ঘদিনের চলমান দাবির জন্য। খোঁজ নিয়ে দেখেন এই করোনা প্যানডেমিকে স্হবির হয়ে যাওয়া গোটা বিশ্বের কোন দেশের(শুধু বাংলাদেশ ব্যতীত) রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জায়গা থেকে বয়সসীমা বাড়ানো/ক্ষতিপূরণ নিয়ে কথা বলতে হয়নি। পাশের দেশ ভারতের ২/১ রাজ্যের রাজ্য সরকার নিজে থেকেই প্রবেশসীমা বাড়িয়েছে।
৩২ সংগঠকদের অনেকেই যেহেতু ৩৫ এর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন আপনাদের আবেদনের সুযোগ প্রয়োজন বলেই-তারমানে এটা স্পষ্ট যে ৩৫ হলে আপনাদের আপত্তি নাই। তারপরও ৩২ নিয়ে আপনাদের নতুন করে দাবি তোলার পিছনে আমার কাছে প্রধান যে কারণ মনে হয়েছে তা হল- দীর্ঘদিন ধরে ৩৫ দাবিটি ফলশূন্য। আর আমরা ৩৫ দাবিদারদের মত আপনাদেরও আবেদনের সুযোগ লাগবে বলেই হয়তো নিজেদের কথা ভেবে ৩২ দাবি করছেন। আপনাদের আশেপাশে খুঁজে দেখেন আপনাদেরই নিকট আত্নীয়দের মধ্যে,পরিচিত স্বজনদের মধ্যে, পরিচিত বন্ধুপ্রতীম বড় ভাই বোনদের মধ্যে, নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ভাই বোনদের মধ্যে অনেককেই খুব সহজেই পাবেন যাদের উচ্চশিক্ষা জীবন ৩/৪/৫ বছরের সেশনজটের করাল গ্রাসে হারিয়ে গেছে-দুর্বিষহ বেকারত্ব নিয়ে দিন পার করছে এবং যারা ৩৫ হলে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেবার একটা সুযোগ পাবে এজন্য চাতকের মত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনাদের পরিচিত এরকমরা কি কোন অপরাধী? তাদের সেশনজটের ক্ষতিগ্রস্ততা ও বৈষম্যের বিষয়টা আপনার/আপনাদের কাছে কি এতটাই মূল্যহীন ও অবিবেচ্য? তা যদি আপনাদের কাছে মূল্যহীন ও অবিবেচ্য হয়ে থাকে কোন আপত্তি নাই আমার, শুধু একটা প্রশ্ন রাখছি "আজ যদি কেউ প্রবেশের ঊর্ধ্বসীমা ৩১ বছর করার দাবি তুলে বসে তাহলে আপনারা এটা কিভাবে নিবেন/দেখবেন? আপনাদের প্রতিক্রিয়া সেক্ষেত্রে কী হবে?" আপনারা নিজেরাই নিজেকে এই প্রশ্নটা করেন উত্তর পেয়ে যাবে সহজেই।
কোন দাবিতে (তা সে যে দাবিই হোক না কেন) নতুন কোন আন্দোলন সংগঠিত হবার চেষ্ঠা দৃশ্যমান হলে রাষ্ট্র থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি বিভিন্ন সংস্থা সেটার উপর তীক্ষ্ণ নজরদারি শুরু করে রাষ্ট্র বিরোধী কোন কার্যকলাপ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য। এবং নজরদারির জন্য সেসব দায়িত্বপ্রাপ্তগণ নিজ নিজ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অপডেট করে আন্দোলনের গতিবিধি ও উদ্দেশ্যে সম্পর্কে-যা পর্যায়ক্রমে সরকার ও রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে যায় । আর বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্সেস সহজতর হওয়ায় আন্দোলনের প্রচেষ্টারত গোষ্ঠীর কোন ফেসবুক গ্রুপ থাকলে সেটার মাধ্যামে খুব সহজে নজরদারি করা সম্ভব হয়। ৩৫ এর ফেসবুক গ্রুপেও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্হা সেই শুরু থেকেই নজরদারি করে আসছে। আপনাদের ৩২ এর জন্য যে গ্রুপটা আছে-যেটার মেম্বার এখন ১২ হাজার+, যেহেতু দাবি আদায়ের জন্য সংগঠিত হবার চেষ্ঠা করছেন একটু ভালভাবে রিসার্চ করে দেখেন আপনাদের গ্রুপেও মেম্বার হয়ে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্হার প্রতিনিধিগণ নজরদারি চালাচ্ছেন। আপনাদের মাদার এডমিন গ্রুপটি ৬ বছর আগে খুলেছিলেন -তখন হয়তে অন্য কোন নাম ছিল। কিন্তু এডমিনসহ আপনারা ৩২ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবার পর নামটি হয়তো পরিবর্তন করেছেন বা শুরু থেকেই অর্থাৎ ৬ বছর থেকেই একই নাম ছিল-সে যাই হোক নট এ বিগ ডিল। কিন্তু সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বেপূর্ণ বিষয় হল দাবির রিপ্রেজেন্টেশন। আপনাদের গ্রুপে জয়েনের জন্য কেউ একজন(নাম মনে নাই) আমাকে ইনভাইট করেছিল, ৩২ দাবি দেখে মনে মধ্যে একটা খটকা লাগে, তারপর আমার জয়েন করা। জয়েনর পর গ্রুপের টাইটেল নাম "চাকুরিতে প্রবেশের সর্বনিম্ন বয়স ৩২ চাই" দেখে প্রথমেই আমি একইসাথে চমকে যাই ও আনন্দিত হই। চমকে যাই একারণে যে আমরা তো প্রবেশের ঊর্ধ্বসীমা/সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ করার জন্য আন্দোলন করে আসছি আর আপনারা তো একদম সর্বনিম্ন বয়স ৩২ করার জন্য লড়াই শুরু করেছেন। আর আনন্দিত হই এজন্য যে আপনাদের সর্বনিম্ন সীমা ৩২ করার দাবি যদি সফল হয় তাহলে সর্বোচ্চ সীমাও বাড়বে এবং সর্বনিম্ন সীমার সমান্তরালে সর্বোচ্চ সীমাও বাড়বে। বর্তমানে সর্বনিম্ন সীমা ১৮ বছর, এটা যদি ১৪ বছর বাড়িয়ে ৩২ করে তবে, সর্বোচ্চ সীমাও অন্তত ১৪ বছর বাড়িয়ে ৩০ থেকে ৪৪ বছর করতে হবে বা সর্বোচ্চ সীমা যাই-ই করুক না কেন আমরা আবেদনের জন্য সুযোগ পাবো। কিছুক্ষণ পরেই আবার বাস্তবতা চিন্তায় আসে এটা কি সম্ভব আদৌ? কারণ আগের যারা ৩/৪/৫ বছরের সেশনজটের ভুক্তভোগী-মূলত আমরাই ৩৫ এর জন্য কাজ করি/চেষ্ঠা করি আর বর্তমানে আগের চেয়ে সেশনজট কমে আসায়(সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নয়) ধরে নিলাম প্রতিষ্ঠান ভেদে ২৪/২৫/২৬ বছর বয়সে একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়া শেষ হলে তাকে চাকরিতে আবেদনের জন্য ৩২ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে যদি আপনাদের দাবি সফল হয়- এটা কি রাষ্ট্র মেনে নিবে?
৩৫ এর জন্য সাংগঠনিকভাবে আন্দোলন করা হয় সেই ২০১২ সাল থেকে। শত চেষ্ঠার পরও ৩৫ এখন পর্যন্ত ফলশূন্য, আর আপনারা সর্বনিম্ন সীমা ১৮ থেকে একলাফে ১৪ বছর বাড়িয়ে ৩২ এর দাবি করছেন। ৩০ পেরিয়ে যাওয়া বা ৩০ এর নিচে আছেন এরকম যারা ৩২ প্রত্যাশা/দাবি করছেন শুধু তারাই নয় সারাদেশ জানে বাংলাদেশে বয়সসীমা বৃদ্ধির ধারনাটি তৈরি ও প্রতিষ্ঠিত করার একমাত্র প্লাটফর্ম হল আমাদের এই ৩৫ দাবি। আপনারা অবশ্যই অনেক মেধাবী, গোড়ায় গলদ রেখে কোন কাজ সফল হওয়াটা খুবই টাফ এবং সময়সাপেক্ষ এটা অবশ্যই আপনারা জানেন। আপনারা হয়তো "সর্বনিম্ন সীমা ৩২" চেয়ে ফেলেছেন, এটাই আপনাদের দাবির নিয়ে রিপ্রেজেন্ট হয়েছে। নজরদারির দায়িত্বপ্রাপ্ত যারা আছেন আপনাদের গ্রুপে তারা এগুলো ঠিকই নোট করেছেন এবং রিপোর্টও করেছেন--যদি এটা বিশ্বাস না / মানতে না চান তবে কাইন্ডলি একটু খোঁজ নেন। জাতীয় একটা দাবি জাতীয় পর্যায়ে ভুলভাবে রিপ্রেজেন্ট করা গর্হিত ভুল। কারণ কেউ মাস পিপলের সমর্থন চাইবে যেকোন দাবি নিয়ে আর এরকম ভুল করবে -বিষয়টা কেমন এটা নিজেরাই ভেবে দেখেন বুঝতে পারবেন। আর যদি ভুলকে ভুল না মনে করে গোয়ার্তুমি করে আপনাদের ৩২ সংগঠকদের কারো আবেদন করা ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকে তাহলে বলবো এরকম গর্হিত ভুল করে নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করার স্রেফ বোকামি।
আপনাদের গ্রুপে অনেক মেম্বার "সর্বনিম্ন" বিষয়টা নিয়ে আপত্তি-বিপত্তি তুলেছে পোস্ট ও কমেন্টের মাধ্যমে। কারণ তারা হয়তো সর্বোচ্চসীমা ৩২ চায় কিন্তু কোন ভাবেই চায় না যে নিজেরাসহ পরবর্তী প্রজন্ম উচ্চশিক্ষা কমপ্লিট চাকরিতে আবেদনের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে ৩২ বছর পর্যন্ত আপেক্ষা করুক কেউ। আপনারা ৩২ দাবি করতে গিয়ে শুরুতেই মারাত্নক একটা ভুল করে ফেলেছেন-এই সিরিয়াস ভুলটা আপনাদের অনভিজ্ঞতার মাশুল-এটা আপনারা মানেন আর নাই মানেন এটাই সত্য। আপনাদের গ্রুপে "সর্বনিম্ন" শব্দটা নিয়ে যারা আপত্তি করেছে-তাদের কে নানা ভাবে ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্ঠা করেছেন ভুলটার ব্যাপরে। কিন্তু বিষয় হল ফেসবুক তো তার নিজের নিয়মে চলে আপনার/আমার নিয়মে চলেনা। ফেসবুক প্লাটফর্মে আমার/আপনার আইডি/গ্রুপ/পেজে যতই অথেনটিসি থাকুক না কেন দিনশেষে ফেসবুকই বস। কোন ফেসবুক গ্রুপের নাম পরিবর্তনের জন্য সময়ের ব্যাপারে যে টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন আছে সে সময় পার হলে হয়তো মারাত্নক ভুলটা সংশোধন করবেন কিন্তু তত দিনে যেখান থেকে দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে সেখানে আপনারা কি চান সেটার মেসেজ পৌঁছে যাবে বা অলরেডি গেছে। আর যারা ৩২ চাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে বলি ৩৫ আন্দোলন/দাবি যদি আপনার বা আপনাদের কাছে হাস্যকর হয়ে থাকে তাহলে বর্তমান সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ কে পরিবর্তন করে সর্বনিম্ন সীমা ৩২ দাবি করা সবচেয়ে বেশি হাস্যকর ও অযৌক্তিক। কারণ আপনাদের দাবি অনুযায়ী একটা ছেলে বা মেয়েকে লেখাপড়া শেষ করে চাকরিতে আবেদনের জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে ৩২ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
কদিন আগে দেখেছেন আপনারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শুধু করোনাকলীন লসের জন্য ব্যাকডেটে বয়সসীমার একটা নোটিশ দিয়েছে -যেখানে বিসিএস কে বাদ রাখা হয়েছে। এটাতে আপনারা যারা ৩২ চান তাদেরও কোন লাভ হয়নি আবার আমরা যারা ৩৫ চাই আমাদেরও কোন লাভ হয়নি। ৩২ নিয়ে ঢাবিতে ৭/৮ জন নিয়ে আপনাদের যে মিটিংটা হয়েছিল সেখানে আপনাদের সাঘে কথা বলার জন্য আমাদের ৩৫ প্লাটফর্ম থেকে একজন প্রতিনিধি ছিল এটা তো সেদিন মিটিংয়ে উপস্হিত সবাই জানেন। আপনারা বলেছিলেন ৩৫ হলে আপনাদের কোন আপত্তি নাই, এবং ঐ ভাই যদি ২০ জন দিতে পারেন এই শর্তে আপনারা ৩২ থেকে ৩৩ দাবিতে আসতে পারেন-এটার ভাল দিকটা হল আপনারা প্র্যাকটিক্যাল ও নমনীয় যেহেতু আপনাদের আবেদনের সুযোগ লাগবে। আবার মন্ত্রণালয় থেকে যে নোটিশটা দিয়েছে তাতে ৩২ ওয়ালা বা ৩৫ ওয়াল করোরই বিন্দুমাত্র লাভ হয়নি।
তাই পরিশেষে একটা কথাই বলতে চাই আপনাদের, ৩২/৩৫ যাই বলেন মাঠে প্রয়োজনীয় জনসমর্থন ছাড়া কোন দাবিই আদায় হবে না। যেহেতু আপনাদের আবেদনের সুযোগ দরকার, আমাদেরও দরকার এবং ৩৫ হলে আপনাদের কোন আপত্তি নাই তাই আসুন আমরা একাসাথে দাবি আদায়ের জন্য চেষ্ঠা করি। ৩৫ হলে আপত্তি যেহেতু নাই ৩২ সংগঠকদের তাই আহ্বান জানাচ্ছি মুক্ত আলোচানার। অনেক ৩২ সংগঠক ৩৫ এর প্রোগ্রামে এসেছেন, এবারও জন্য আসুন আপনারা, আমরা কাজ করে যাচ্ছি, আপনারও যোগ দিন কিভাবে কোনটা করলে দাবি আদায় হবে এর জন্য মতামত দিন। একটা কথা মনে রাখবেন বয়সসীমা বাড়ানোর জন্য সময় কিন্তুু খুবই কম, এই সময়ে কিছু না হলে ৩২ ওয়ালা, ৩৫ ওয়ালা সবাইকেই পস্তানো লাগবে। সিদ্ধান্ত আপনাদের।
ধন্যবাদ

good
ReplyDelete